আমরা একটি অভিজ্ঞ, সুপ্রতিষ্ঠিত এবং কর্পোরেট মূল্যবোধসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকার বিভিন্ন প্রিমিয়াম এলাকায় পেশাদার কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আমাদের সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, আমরা এখন খুঁজছি এমন সম্পত্তি—যা সম্পূর্ণ খালি, সঠিকভাবে নির্মিত এবং কর্পোরেট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত। বিশেষত, আমরা গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন, উত্তরার বাণিজ্যিক এলাকা, এবং মতিঝিল ও তৎসংলগ্ন এলাকাগুলোতে পূর্ণাঙ্গ খালি বিল্ডিং বা সম্পূর্ণ বাড়ি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির ভিত্তিতে ভাড়া নিতে আগ্রহী।
আমাদের লক্ষ্য কেবল একটি ভবন ভাড়া নেয়া নয়, বরং ভবন মালিকের সঙ্গে একটি দীর্ঘস্থায়ী, লাভজনক ও পেশাদার সম্পর্ক গড়ে তোলা। চুক্তির প্রতিটি ধাপে আমরা সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখি, যাতে ভবনের মালিক সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত থাকেন।
আমাদের চুক্তি কাদের জন্য উপযুক্ত?
আমাদের দীর্ঘমেয়াদী ভাড়ার প্রস্তাব শুধুমাত্র একটি সাধারণ ভাড়াটিয়া খোঁজার বিষয় নয়—এটি একটি কর্পোরেট পার্টনারশিপ। নিচের গোষ্ঠীগুলোর জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী ও লাভজনক হতে পারে:
১. ভবন মালিক যাদের ভবন বা বাড়ি দীর্ঘদিন খালি পড়ে আছে
আপনার ভবনটি হয়তো বছরখানেক ধরে খালি পড়ে আছে—ইনকাম আসছে না, অথচ সার্ভিস চার্জ, গার্ড খরচ, পানি-বিদ্যুৎ বিল ঠিকই জমছে। আমাদের সঙ্গে চুক্তি করে আপনি নিয়মিত মাসিক আয় নিশ্চিত করতে পারেন।
২. বিনিয়োগকারীরা যারা নিয়মিত ইনকাম চান
আপনি যদি ভবন নির্মাণকে একটি বিনিয়োগ হিসেবে দেখে থাকেন, তাহলে আমাদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী ভাড়া চুক্তি আপনাকে নিশ্চিত রিটার্ন দিতে পারবে। রিয়েল এস্টেটে স্থিতিশীল ইনকাম খুঁজছেন? আমরা আছি।
৩. প্রবাসী মালিকগণ যারা ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে চিন্তিত
বিদেশে থাকা অবস্থায় নিজের সম্পত্তি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা খুব স্বাভাবিক। আমরা ভবন রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ও নিয়মিত ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করি, যাতে আপনি দূরে থেকেও নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।
৪. নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যারা নতুন ভবন হস্তান্তরের আগে কর্পোরেট টেন্যান্ট খুঁজছেন
অনেক ডেভেলপার বা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি নতুন নির্মিত ভবনের জন্য প্রথমদিকে স্থায়ী ভাড়াটিয়া পেতে চায়। আমরা কর্পোরেট টেন্যান্ট হিসেবে ভবন ব্যবহার করি সম্মানের সঙ্গে এবং ভবনের মান বজায় রেখে।
৫. সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা কোম্পানি যারা নির্ভরযোগ্য ও লং-টার্ম ভাড়াটিয়া খুঁজছেন
যারা প্রফেশনাল প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট করেন, তারা জানেন—একজন ভালো ভাড়াটিয়া পাওয়া মানেই ভবনের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত। আমরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই সময়মতো ভাড়া প্রদান করি এবং দীর্ঘ মেয়াদের পার্টনারশিপে বিশ্বাস করি।
৬. কর্পোরেট গ্রুপ বা ট্রাস্ট যাদের অপ্রয়োজনীয় ভবন আছে
অনেক প্রতিষ্ঠান বা ট্রাস্টের হাতে নিজস্ব ভবন থাকে, যা ব্যবহৃত হচ্ছে না। এই ভবনগুলোর মাধ্যমে অতিরিক্ত আয় তৈরি করতে চাইলে আমাদের মতো প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দিয়ে লাভবান হওয়া সম্ভব।
৭. উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তির মালিকরা
অনেকেই বাবা-মা বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ভবন পেয়েছেন কিন্তু তা কীভাবে ব্যবহার করবেন, বুঝে উঠতে পারছেন না। বিক্রি না করে বরং দীর্ঘমেয়াদে আমাদের মতো ভাড়াটিয়ার কাছে দিয়ে নিয়মিত আয় উপার্জন করা যেতে পারে।
আমরা কী ধরণের ভবন বা বাড়ি খুঁজছি?
আমাদের চাহিদা নিছক একটি ঠিকানা নয় আমরা খুঁজি এমন একটি স্থায়ী জায়গা, যা আমাদের কর্পোরেট পরিচিতির সঙ্গে মানানসই হয়। কারণ, একটি ভালো ভবন মানেই কর্মক্ষমতা, পরিবেশ ও প্রতিষ্ঠানিক গুণগত মানের প্রতিচ্ছবি।
আমাদের চাহিদার মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
🔹 সম্পূর্ণ খালি এবং ইনডিপেনডেন্ট ভবন / বাড়ি
আমরা এমন ভবন বা বাড়ি খুঁজছি যা আলাদা ও একক মালিকানাধীন। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ভাড়াটিয়ার সঙ্গে ভাগাভাগি করার প্রয়োজন নেই। এতে আমরা সম্পূর্ণ ভবনটিকে নিজের মতো করে কর্পোরেট অপারেশনে ব্যবহার করতে পারি।
🔹 ৫ তলা বা তার বেশি (যথাযথ কনফিগারেশনসহ)
আমাদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত স্পেস প্রয়োজন। তাই ৫ তলা বা তার অধিক ফ্লোরবিশিষ্ট ভবন আমাদের প্রথম পছন্দ। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ৩–৪ তলা বিশিষ্ট ভবনও বিবেচনা করা যেতে পারে যদি সেটি পর্যাপ্ত জায়গাসম্পন্ন ও স্ট্রাকচারালি উপযুক্ত হয়।
🔹 প্রতিটি ফ্লোরে পর্যাপ্ত খোলা স্পেস ও প্রাকৃতিক আলো-বাতাস
কর্মপরিবেশকে প্রাণবন্ত এবং স্বাস্থ্যসম্মত রাখার জন্য আমরা এমন ভবন চাই যেখানে প্রতিটি ফ্লোরে ভেন্টিলেশন ভালো, জানালার ব্যবস্থা আছে এবং ভিতরের স্পেস খোলামেলা।
🔹 নিজস্ব পার্কিং সুবিধা (গ্যারেজ বা আন্ডারগ্রাউন্ড
কর্মীদের গাড়ি ও আগত অতিথিদের জন্য নিরাপদ ও পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা থাকা অত্যন্ত জরুরি। সেক্ষেত্রে আমরা ভবনের নিজস্ব গ্যারেজ, বেইসমেন্ট বা কমপক্ষে ৫–১০টি গাড়ি পার্কিং করার মতো স্পেস বিবেচনায় রাখি।
🔹 পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি সংযোগ
ভবনটিতে অবশ্যই নিচের অবকাঠামোগত সুবিধা থাকতে হবে:
- আধুনিক লিফট
- আলাদা মিটারসহ বিদ্যুৎ সংযোগ
- নিরবিচারে পানি সরবরাহ
- প্রতিটি ফ্লোরে আলাদা ওয়াশরুম
- ফায়ার সেফটি, জেনারেটর কানেকশন (অতিরিক্ত পয়েন্ট)
- শক্ত কাঠামো ও সেফটি কমপ্লায়েন্স
🔹 লোকেশন: বাণিজ্যিক ও অভিজাত এলাকাকে অগ্রাধিকা
আমাদের অপারেশনের সুবিধার জন্য নিচের এলাকাগুলোতে আমরা বেশি আগ্রহী:
- গুলশান ১ ও ২
- বনানী
- বারিধারা ও DOHS
- নিকেতন, তেজগাঁও
- উত্তরার সেক্টর ১–১৫
- মতিঝিল ও এর আশেপাশের বাণিজ্যিক এলাকা
- বাড্ডা, মহাখালী, মিরপুর DOHS (প্রয়োজনে বিবেচ্য)
চুক্তি প্রক্রিয়া কেমন হবে?
আমরা ধাপে ধাপে আইনি ও কর্পোরেট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভবন ভাড়া নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে:
- প্রাথমিক আলোচনা: ভবন পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ
- প্রস্তাবনা: টেন্যান্ট চাহিদা অনুযায়ী রেন্টাল প্রস্তাব তৈরি
- আইনি যাচাই: উভয়পক্ষের আইনি পরামর্শ ও দলিলপত্র যাচাই
- চুক্তি স্বাক্ষর: নির্ধারিত শর্তে লিখিত চুক্তি
- হস্তান্তর: ভবনের দায়িত্ব আমাদের কর্পোরেট ব্যবস্থাপনায় হস্তান্তর
আমাদের সাথে যোগাযোগের ঠিকানা
আপনার ভবন যদি আমাদের চাহিদার সাথে মিলে যায়, তাহলে দেরি না করে এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। বিশ্বস্ত কোম্পানি হিসেবে, আমরা আপনার সম্পত্তিকে মূল্য দিই এবং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বে আগ্রহী।
📞 যোগাযোগ নম্বর: +880 1711-990010, +8801711993377
📧 ইমেইল: info@banglamart.com
🌐 ওয়েবসাইট: www.banglamart.com
কিছু সাধারণ প্রশ্ন (FAQs)
আমরা সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে আগ্রহী। প্রয়োজনে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য চুক্তি করা যায়।
আমাদের মূল ফোকাস ঢাকার অভিজাত ও বাণিজ্যিক এলাকা—যেমন গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডি, উত্তরা, মতিঝিল ইত্যাদি। তবে নির্দিষ্ট প্রজেক্টের ক্ষেত্রে অন্যান্য লোকেশন বিবেচনা করা যেতে পারে।
অবশ্যই। আমরা প্রতিটি চুক্তি আইনজীবীদের মাধ্যমে যাচাই করে সম্পাদন করি যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা না হয়। এটি ভবন মালিক ও আমাদের উভয়ের নিরাপত্তার জন্যই প্রয়োজনীয়।
ভাড়ার পরিমাণ ভবনের অবস্থান, ফ্লোর সংখ্যা, স্পেস, অবকাঠামো ও অন্যান্য সুবিধার ভিত্তিতে আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত হয়। আমরা মালিকের চাহিদার প্রতি সম্মান দেখিয়ে উভয় পক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য একটি পরিমাণ নির্ধারণে আগ্রহী।
ভাড়া ব্যাংক চেক বা ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী (মাসিক/ত্রৈমাসিক) প্রদান করা হয়। সবকিছু লিখিত চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত থাকে।


